প্রচ্ছদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রচ্ছদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২০

লাদাখ নিয়ে চলছে মেজর জেনারেল পর্যায়ের আলোচনা, প্রথম রাউন্ডে সমঝোতা হল না



পেরেক-কাঁটাতার লাগানো লাঠি। লাদাখে নৃশংস চিনা হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রের ছবি প্রকাশ্যে। অস্ত্র ছিল পেরেক লাগানো লাঠি।
পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় চিনা হামলায় ভারতীয় সেনা নিহত হওয়ার ঘটনায় কেন্দ্রকে আক্রমণ রাহুলের। ট্যুইটারে কংগ্রেস সাংসদের প্রশ্ন, আমাদের নিরস্ত্র সেনাদের মারার সাহস চিন পেল কীভাবে? নিরস্ত্র সেনাদের কেন এভাবে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হল?
লাদাখে প্রাণ হারানো সৈন্যদের প্রতি শ্রদ্ধায় নিজেদের সব রাজনৈতিক কাজকর্ম ২ দিনের জন্য স্থগিত রাখল বিজেপি। জানালেন জেপি নাড্ডা।
লাদাখে ভারত-চিন সংঘাতের আবহে দু’ দেশের মধ্যে চুক্তি বদলের কথা ভাবছে ভারত। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর। শান্তি বজায় রাখতে দু’ দেশের মধ্যে পাঁচটি চুক্তি হয়। ১৯৯৬ সালের চুক্তিতে উল্লেখ, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার ২ কিলোমিটারের মধ্যে গুলি-গোলা ছুড়তে পারবে না দু’ দেশের সেনারা। গালওয়ানে চিনা হামলার পর, চুক্তি বদলের কথা ভাবছে ভারত। খবর সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে।
লাদাখের গালওয়ানে চিনা হামলায় নিহত কর্নেল সন্তোষ বাবু ও হাবিলদার সুনীল কুমারের মৃতদেহ ফিরল বাড়িতে। তেলঙ্গানার সূর্যপেটের বাড়িতে ১৬ নম্বর বিহার রেজিমেন্টের কম্যান্ডিং অফিসার সন্তোষ বাবুকে গার্ড অফ অনার। একইসঙ্গে বিহারের পটনার বাড়িতে ফিরল হাবিলদার সুনীল কুমারের মৃতদেহ।আজই শেষকৃত্য।

‘মোবাইল সেবায় কর ভারতে ১৫%, পাকিস্তানে ১৭%, দেশে ৩৩%’







মোবাইল সেবায় প্রতিবেশী কয়েকটি দেশের মধ্যে কর এখন বাংলাদেশেই বেশি। আফগানিস্তানে মোবাইল সেবা গ্রাহকের ওপর কর ১২ শতাংশ। ভারতে ১৫, পাকিস্তানে ১৭ ও শ্রীলঙ্কায় ২৩ শতাংশ। বাংলাদেশে নতুন বাজেটে সম্পূরক শুল্ক বাড়িয়ে করভার ৩৩ শতাংশ করা হয়েছে।২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটর্স অব বাংলাদেশ (অ্যামটব) আয়োজিত এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মোবাইল অপারেটর রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি কর্মকর্তা সাহেদ আলম। তিনি বলেন, ‘করোনা মহামারিকালে কেন মোবাইল সেবায় কর আরও বাড়ানো হলো, তা আমাদের বোধগম্য হচ্ছে না।’

অ্যামটব বলছে, মোবাইল সেবায় নতুন করে ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করায় সাধারণ মানুষ ব্যবহার কমিয়ে খরচ কমাবে। এতে সরকারের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য পূরণ নাও হতে পারে।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল গত বৃহস্পতিবার সংসদে ২০২০-২১ অর্থবছরের যে বাজেট উত্থাপন করেছেন, তাতে মোবাইল সিম বা রিম কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে সেবার বিপরীতে সম্পূরক শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করেছেন। আজ মঙ্গলবার এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে অ্যামটব।

অ্যামটবের মহাসচিব এস এম ফরহাদ একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সম্পূরক শুল্ক বাড়ানোর ফলে মোবাইলে কথা বলা ও খুদে বার্তা পাঠানোয় মোট করভার দাঁড়াল ৩৩ দশমিক ২৫ শতাংশ। ইন্টারনেটে দাঁড়াল ২১ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

এর মানে হলো, এখন থেকে ১০০ টাকা রিচার্জে কথা বলা ও খুদে বার্তায় সরকারের ঘরে যাবে ২৫ টাকার মতো, যা আগের চেয়ে তিন টাকা বেশি। ইন্টারনেটে সরকার পাবে ১৮ টাকার মতো।

এস এম ফরহাদ বলেন, ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। তিনি এ কর কমানোর বিষয়ে অর্থমন্ত্রীকে একটি চিঠি দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়েরও এ বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে।

অনুষ্ঠানে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন, রবি আজিয়াটা ও বাংলালিংকের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা জানান, বৃহস্পতিবার বাজেট ঘোষণার পর মধ্যরাত থেকে নতুন করকাঠামো কার্যকর করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কলচার্জ ও ইন্টারনেটের দাম বাড়ানো হয়েছে।

গ্রামীণফোনের পরিচালক ও হেড অব রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স হোসেন সাদাত বলেন, ‘আইন অনুযায়ী আমরা নতুন করকাঠামো কার্যকর করেছি।’

রবির সাহেদ আলম বলেন, সরকার কর বাড়িয়ে স্বল্পমেয়াদি লাভ চাচ্ছে। কিন্তু এটা না বাড়ালে বেশি সুফল পাওয়া যেত। মানুষ বাড়তি ব্যয় করত, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ত। এতে পরোক্ষভাবে সরকারের রাজস্ব বাড়ত।

বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, বাংলালিংকের মালিক প্রতিষ্ঠান ভিওনের ১৫টি দেশে ব্যবসা রয়েছে। এ দেশে উচ্চ করের কারণে তাদের মালিকপক্ষ অন্য দেশে বিনিয়োগে বেশি আগ্রহী।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, মার্চে সাধারণ ছুটির পর ৪০ শতাংশ গ্রাহক শহরের বাইরে গেছেন। রবি বলছে, তাদের ১০ শতাংশ গ্রাহক এখনো শহরে ফেরেননি।

- প্রথম আলো

কিভাবে জানবেন আপনি হতাশায় ভুগছেন? ড. রাজুব ভৌমিক





যারা খুব হতাশা বা Depression এ আছেন তাদের জন্য কিছু কথা। Depression বা হতাশা একটি মানসিক রোগ।মানুষের হতাশায় ভোগা স্বাভাবিক। তিনজনের মধ্যে একজন তাদের জীবনের কোনও পর্যায়ে একটি বড় হতাশাজনক পর্ব experience করে থাকে—এবং প্রতি দশজনের মধ্যে একজনে মাঝারি বা গুরুতর depression এ ভুগে। আত্মহত্যার ফলে মারা যাওয়া ৫০% এরও বেশি মানুষ বড় হতাশায় ভুগেছে। তাই Depression কে সিরিয়াসলি নেয়া উচিত। মানসিক রোগ বলে Depression কে এড়িয়ে না চলা উচিত। আমাদের জানা উচিত—শরীর যেহেতু আছে তাই শারীরিক রোগ হবে—এবং মন যেহেতু আছে মানসিক রোগ হবেই। এতে খারাপ কিছু ভাবা উচিত না।

কিভাবে জানবেন আপনি হতাশায় ভুগছেন?
মানসিক লক্ষণ: ১. সব সময় মন খারাপ হওয়া। ২. স্বাভাবিক কাজে আগ্রহ বা আনন্দ হ্রাস। ৩.
মনোযোগ কমে যাওয়া। ৪. সব সময় খারাপ চিন্তা করা। ৫. নিজেকে দোষী ভাবা। ৫. আত্মহত্যা করার চিন্তা বা কোনও উপায়ে নিজেকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চিন্তা।
শারীরিক লক্ষণ: ১. ক্ষুধা কমে যাওয়া। ২. শরীরের ওজন কমে যাওয়া। ৩. শরীরের এনার্জি কম অনুভূত হওয়া। ৪. কথা আস্তে আস্তে বলা। ৫. ঘুম না হওয়া।

কেন মানুষ Depression এ ভোগে?
আসলে এর কোন সঠিক উত্তর নেই। গবেষকরা মনে করেন জেনেটিক কারণ বা stressful জীবন যাপন ( অর্থনৈতিক সমস্যা, একাকিত্ব জীবন যাপন, বাচ্চা প্রসব, প্রিয়জনকে হারানো, অতিরিক্ত মদ্যপান, অবৈধ ড্রাগস করা, ডায়াবেটিকস ইত্যাদি) এর জন্য দায়ী।

Depression হলে কি করা উচিত?
অবহেলা করবেন না। শীঘ্রই ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন। শরীরে জ্বর আসলে যেমন আপনি দ্রুত পাশের দোকানে ডাক্তার দেখিয়ে ওষুধ নিয়ে আসেন ঠিক তেমনি হতাশায় ভুগলে আপনাকে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
Cognitive Behavioural Therapy (CBT), antidepressant medication, এবং বেশি হতাশগ্রস্তের জন্য Electroconvulsive Therapy (ECT) খুব কাজে লাগে।

(বি.দ্র: আমি কোন মানসিক ডাক্তার নই, মনোবিজ্ঞানের একজন অধ্যাপক মাত্র। মানসিক স্বাস্থের উপর দুটি পিএইচডি করেছি। এই বিষয়ে সহায়তা পেতে আপনার নিজস্ব ডাক্তারের উপদেশ মেনে চলুন।)

© রাজুব ভৌমিক, নিউইর্য়ক

উদ্যোক্তা কি ? উদ্যোক্তার গুনাবলি ও সফল উদ্যোক্তার মূলমন্ত্র



একজন ব্যক্তি যখন নিজের কর্মসংস্থানের কথা চিন্তা করে কোন চাকরি বা কারো অধিনস্ত না থেকে

নিজে থেকেই কোন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করার চেষ্টা করেন বা পরিকল্পনা শুরু করেন তখন তাকে উদ্যোক্তা বলা হয় । ব্যবসায় উদ্যেক্তার উদ্যেগ যখন সফল কিংবা স্বনিরভর হয় তখন তাকে বলা হয় ব্যাবসায়ি ।

একজন ব্যাবসায়ি তার ব্যাবসায়িক জীবনের সবচেয়ে কঠিন এবং গুরত্বপুরন সময় একজন উদ্যেক্তা হিসাবে কঠোর মনোবল , উদ্যাম প্রানশক্তি ও আত্ববিস্বাস কে সঙ্গী করে শত বাধা পেড়িয়ে একজন আত্বনিরভরশিল ব্যাবসায়ি হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যান ।

আত্মকর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তি নিজের কর্মসংস্থানের চিন্তা করে কাজে হাত দেন। একজন আত্মকর্মসংস্থানকারী ব্যক্তি তখনই একজন উদ্যোক্তায় পরিণত হবেন, যখন তিনি নিজের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সমাজের আরও কয়েকজনের কর্মসংস্থানের চিন্তা নিয়ে কাজ শুরু করেন, ঝুঁকি আছে জেনেও এগিয়ে যান এবং একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তােলেন। সে ক্ষেত্রে সকল ব্যবসায় উদ্যোক্তাকে আত্মকর্মসংস্থানকারী বলা গেলেও সকল আত্মকর্মসংস্থানকারীকে ব্যবসায় উদ্যোক্তা বলা যায় না ।

দেশ-বিদেশের সকল ব্যবসায় উদ্যোক্তার জীবনী পাঠ করে দেখা যায় যে, তাদের বেশিরভাগি প্রথম জীবনে ক্ষুদ্র ব্যবসায় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শুরু করেছিলেন। দৃঢ় মনােবল, কঠোর অধ্যবসায় ও কর্মপ্রচেষ্টার মাধ্যমে ধীরে ধীরে তারা বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিক হয়েছেন ।

উদ্যোগ যে কোনাে বিষয়ের ব্যাপারেই হতে পারে কিন্তু লাভের আশায় ঝুঁকি নিয়ে অর্থ ও শ্রম বিনিয়ােগ করাই হলাে ব্যবসায় উদ্যোগ । আর যে ব্যাক্তি এই ব্যাবসার উদ্যোগ গ্রহন করেন তিনিই উদ্যোক্তা ।


ব্যবসায়িক পরিবেশ ও উদ্যোক্তা
বর্তমান প্রতিযােগিতামূলক বিশ্বে ব্যবসায়িক পরিবেশের সকল উপাদান অনুকূল না হলে ব্যবসায়-বাণিজ্যে উন্নতি লাভ করে টিকে থাকা কঠিন।জাতি, ধর্মীয় বিশ্বাস, ভােক্তাদের মনােভাব, মানব সম্পদ, শিক্ষা ও সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, প্রভৃতি ব্যবসায়ের পরিবেশ ।

যে ব্যক্তি দৃঢ় মনােবল ও সাহসিকতার সাথে ফলাফল অনিশ্চিত জেনেও ব্যবসায়স্থাপন করেন ও সফলভাবে ব্যবসায় পরিচালনা করেন, তিনি ব্যবসায় উদ্যোক্তা বা শিল্পোদ্যোক্তা। ব্যবসায় উদ্যোগ (Entrepreneurship) এবং ব্যবসায় উদ্যোক্তা (Entrepreneur) শব্দ দুটি একটি অন্যটির সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। যিনি ব্যবসায় উদ্যোগ গ্রহণ করেন তিনিই ব্যবসায় উদ্যোক্তা ।

ঊদ্যেক্তার গুনাগুন সমুহ
ঝুঁকি আছে জেনেও লাভের আশায় ব্যবসায় পরিচালনা।ব্যবসায় উদ্যোগ সঠিকভাবে ঝুঁকি পরিমাপ করতে এবং পরিমিত ঝুঁকি নিতে সহায়তা করে।
ব্যবসায় উদ্যোগের অন্য একটি ফলাফল হলাে একটি পণ্য বা সেবা
অন্যদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। ব্যবসায় উদ্যোগ মালিকের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযােগ সৃষ্টি করেন
অনেকে মনে করেন উদ্যোক্তাগণ জন্মগতভাবেই উদ্যোক্তা। অর্থাৎ জন্মসূত্রেই তিনি বহু ব্যক্তিগত গুণের অধিকারী হন যা তাকে উদ্যোক্তা হিসেবে খ্যাতি লাভ করতে সহায়তা করে। বর্তমান সময়ে অবশ্য শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং নিজের উপর বিশ্বাস ও মনোবলের মাধ্যমে এক্সজন সফল উদ্যোক্তা হওয়া সম্ভব

ব্যাক্তিগত গুনসমুহ
আত্মবিশ্বাস
সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী শক্তি ও কঠোর পরিশ্রম করার ক্ষমতা
নেতৃত্বদানের যােগ্যতা
কৃতিত্ব অর্জনের আকাঙ্ক্ষা ও চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার মানসিকতা এ ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা গ্রহণের মানসিকতা
সফল উদ্যোক্তা গতিশীল নেতৃত্ব দানের অধিকারী হয়ে থাকেন।উদ্ভাবনী শক্তির বলে তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ার নতুন উন্নয়ন কৌশল গ্রহণ এবং তা ব্যবহার করেন । ব্যবসায়িক লক্ষ্য অর্জনে নিরলস শ্রম দেন এবং ব্যক্তিগত আরাম-আয়েশ ও ভােগ-বিলাস পরিহার করেন। তিনি নিজের ক্ষমতা ও সিদ্ধান্তের প্রতি এত আস্থাশীল যে, নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য অবিরাম কাজ করেন এবং ফলাফল অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত কাজে নিয়ােজিত থাকেন

কঠোর পরিশ্রম
কোনাে কারণে প্রথম বার ব্যর্থ হলে ব্যর্থতার কারণ খুঁজে দ্বিতীয় বার নতুন উদ্দ্যোমে কাজ শুরু করেন। কাজে সাফল্য অর্জনে তীব্র আকাঙ্ক্ষা তাদের চরিত্রের একটি উল্লেখযােগ্য দিক। প্রকৃত উদ্যোক্তারা নিজেদের ভুল অকপটে স্বীকার করেন এবং ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেন। নিজের অভিজ্ঞতা ও অন্যের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা গ্রহণ এবং নিজের কর্মক্ষেত্রে সেই শিক্ষার প্রয়ােগ উদ্যোক্তার একটি বিশেষ গুণ। সফল উদ্যোক্তা তাদের কাজের সাফল্যে পরিতৃপ্তি ও অসীম আনন্দ পান।


সাফল্য ও ব্যর্থতা
ব্যবসায় পরিচালনার ক্ষেত্রে সাফল্য ও ব্যর্থতা অনেকাংশে নির্ভর করে আত্মকর্মসংস্থানের উপযুক্ত ক্ষেত্র নির্বাচনের উপর। ব্যবসার জন্য সঠিক পণ্য নির্বাচন সাফল্য লাভের অন্যতম পূর্বশর্ত। পণ্য বা ব্যাবসার ধরন নির্বাচনের পূর্বে বাজারে সেবা বা পণ্যটির চাহিদা ও গ্রহণযােগ্যতা যথাযথভাবে নিরূপণ করতে হবে।


সঠিক পণ্য নির্বাচন
পণ্যের চাহিদা নির্ধারণ
সঠিক প্রযুক্তি ব্যবহার
আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে অবহিত থাকা পন্য বা সেবার ক্রেতা
পন্য বা সেবার ক্রেতা আছে কি না তা যাচাই করা
পন্য বা সেবার বাজারজাত করার পন্থা ঠিক করা
বাজার জরিপ ও অন্যান্য পদ্ধতির মাধ্যমে পণ্যের সঠিক চাহিদা নিরূপণ ব্যবসায়ে সাফল্যের গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। তাছাড়া পণ্যের বাজারের পরিধি এবং বাজারজাতকরণের কৌশল পূর্বেই যথার্থভাবে নিরূপণ করতে হবে। অভিজ্ঞতা ও শিক্ষা উদ্যোক্তার ব্যবসা সম্পর্কে পূর্ব-অভিজ্ঞতা এবং ব্যবস্থাপনা বিষয়ে উপযুক্ত শিক্ষা ব্যবসায় সফল হতে সাহায্য করে ।

ব্যবসায় একবার ব্যর্থ হলে ব্যর্থতার কারণগুলাে পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে বিশ্লেষণ করে হতাশ হওয়ার পরিবর্তে শিক্ষা গ্রহণ করে নতুনভাবে কাজ শুরু করার মধ্যে ব্যবসায়ের সাফল্য নিহিত। সুষ্ঠু ব্যবসা পরিকল্পনা প্রণয়ন ব্যবসায় সফলতা অর্জনের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলাে সঠিক ব্যবসা পরিকল্পনা প্রণয়ন। ব্যবসায়ে হাত দেওয়ার পূর্বেই ব্যবসার কাজ কখন এবং কীভাবে করা হবে তা অগ্রিম চিন্তা করে ঠিক করাই হচ্ছে পরিকল্পনা।

কর্মীগণ
প্রশিক্ষিত কর্মীগণ অধিকতর দক্ষতা ও মিতব্যয়িতার সাথে কার্য সম্পাদন করতে পারে। এতে প্রতিষ্ঠানের কার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে অপচয় হ্রাস পায় । ক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মীদের অপ্রতুলতা দূরীকরণ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সবসময় উপযুক্ত শিক্ষাপ্রাপ্ত ও অভিজ্ঞ ব্যক্তি সংগ্রহ করা সম্ভুব হয় না। সেজন্য নিয়ােগের পর কর্মীদেরকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সে প্রয়ােজন পূরণ করা হয়। এভাবে প্রতিষ্ঠানের দক্ষ ও

অভিজ্ঞ কর্মীর অভাব দুরীভূত হয়



সাকিব খুব বুদ্ধিমান বোলার: সাকলাইন






পাকিস্তানের সাবেক তারকা ক্রিকেটার সাকলাইন মুশতাক বলেছেন, আমি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সঙ্গে কাজ করার সময় সাকিব আল হাসানকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। সে খুবই মেধাবী এবং বুদ্ধিমান বোলার।



সম্প্রতি ক্রিকেট পাকিস্তানকে দেয়া এক সাক্ষাৎকার বর্তমান বিশ্বের সেরা স্পিনারদের বাছাই করতে গিয়ে সাকিবের প্রশংসা করেন সাবেক এ তারকা অফ স্পিনার।


পাকিস্তানের হয়ে ৪৯টি টেস্ট আর ১৬৯টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে ৪৯৬ উইকেট শিকার করা সাকলাইন মুশতাক বলেছেন, টেস্ট ম্যাচে আমার মতে বিশ্বের সেরা স্পিনার এখন নাথান লায়ন। সে বড় সব দলের বিপক্ষে সফলতা পেয়েছে। ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গেও তার ভালো রেকর্ড রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ান তারকা অফ স্পিনার নাথান লায়ন দেশের হয়ে ৯৬ টেস্টে অংশ নিয়ে শিকার করেছেন ৩৯০ উইকেট।


ওয়ানডে ক্রিকেটে বিশ্বের সেরা স্পিনারের তালিকায় সাকলাইন রেখেছেন ভারতীয় দুই তারকা স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও চায়নাম্যান বোলার কুলদ্বীপ যাদবকে। সাকলাইন বলেন, রবিচন্দ্রন অশ্বিনও ভালো বোলার, তবে ঘরের মাঠে সে দুর্দান্ত। আর সীমিত ওভারের ক্রিকেটে কুলদ্বীপ যাদব অসাধারণ। তার মাঝে ক্রিকেটীয় জ্ঞান আছে।


৪৩ বছর বয়সী সাকলাইন মুশতাক আরও বলেছেন, পাকিস্তানের শাদাব খানের মাঝেও দারুণ কিছু গুণ রয়েছে। আমি মনে করি, সে টেস্ট ক্রিকেটে ভালো করবে। ইয়াসির শাহর রেকর্ড পরিসংখ্যান দেখলেই বোঝা যায় সে বিশ্বসেরা।


-যুগান্তর